প্রত্যেক আবিষ্কারকই তার আবিষ্কার নিয়ে গর্ববোধ করেন। আবিষ্কারক মাত্রই তার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে পৃথিবীতে এমন বেশ কয়েকজন আবিষ্কারক রয়েছেন যারা প্রাণ হারিয়েছেন নিজের আবিষ্কারের হাতে। হতভাগ্য এমন কিছু উদ্ভাবক সম্পর্কে ইন্টারনেট অবলম্বনে জানাচ্ছেন রাজীব হেনরি উইনস্টেনলি ১৬৪৪ সালের [ বিস্তারিত পড়ুন ]
সৌরজগত (THE SOLAR SYSTEM) : সৌরজগত হচ্ছে সূর্যের টানে বাধা নয়টি গ্রহ, ৫০টি উপগ্রহ, কয়েক হাজার গ্রহাণু(ASTEROIDE Miniature Planets) আর আছে উল্কা ও ধুমকেতু। সূর্য চারদিকে ঘুরে চলছে। সূর্যের সবচেয়ে কাছে (১)বুধ(MERCURY) তারপর ক্রমাগত দূর থেকে দূরে (২)শুক্র(VENUS) (৩)পৃথিবী(EARTH) (৪)মঙ্গল(MARS) (৫)বৃহস্পতি(JUPITAR) (৬)শনি(SATURN) (৭)ইউরেনাস(URANUS) (৮)নেপচুন(NEPTUNE) (৯)প্লুটো(POUTO)। [ বিস্তারিত পড়ুন ]
পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যে মহাজাগতিক বস্তুটি রয়েছে তা’হলো পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ। চাঁদের ব্যাস ৩৪৭৬ কিঃমিঃ। পৃথিবীর ব্যাসের ৪ ভাগের ১ ভাগ। চাঁদ যে কক্ষপথে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে তা একটি উপবৃত্ত (PARABOLA)। কার মানে পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কখনো বাড়ে কখনো কমে। বাড়তে বাড়তে দূরত্ব [ বিস্তারিত পড়ুন ]
() বিশাল আকারে ধূলো ও গ্যাসের মেঘ মহাশূন্যে ছড়ানো আছে। একে নীহারিকা বলা হয়ে থাকে। মহাশূন্যে সবচেয়ে বেশি আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস। দু’টো মিলে প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ। এই গ্যাসের মেঘ থেকেই তারার(নক্ষত্র-STAR) জম্ম। বস্তুর মহার্কষগত বলের কারণ (GRAVITATIONAL ATTRACTION)গ্যাসের কণিকাগুলো পরস্পরকে টানে এবং [ বিস্তারিত পড়ুন ]
সূর্য আমাদের সৌর পরিবারের তারা। সূর্য থেকে পৃথিবী আছে প্রায় পনের কোটি কিঃমিঃ দূরে। সূর্যের ব্যাস ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার। পৃথিবীর ব্যাস মাত্র ১২,৭৫৬ কিলোমিটার। সূর্যের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের ১০০ গুনের চেয়েও বেশি। পৃথিবীর ঘনত্ব ৫.৫২, বৃহস্পতির ঘনত্ব ১.৩৩ আর সূর্যের ১.৪। ঘনত্ব থেকে [ বিস্তারিত পড়ুন ]
কোটি কোটি নক্ষত্র বা তারা(STAR)এবং গ্যাস ও ধূলোর মেঘে মহাকর্ষগত বলের আকর্ষণে এক একটি দলবদ্ধ অবস্থায় মহাশূন্যে সম্প্রসারিত হচ্ছে। এগুলোকে গ্যালাক্সি বলা হয়ে থাকে। মহাবিশ্বে গ্যালাক্সি রয়েছে কয়েক হাজার কোটি। এক একটি গ্যালাক্সিতে তারা আছে বিশ হাজার কোটির মতো। গ্যালাক্সির আকার ও উজ্জলতা বিভিন্ন রকমের। [ বিস্তারিত পড়ুন ]
মহাবিশ্বের (The Universe) সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনের জন্য জোতির্বিজ্ঞানীদের বিরামহীন অভিযান অভিযাত্রা চলছে।মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত তত্ত্ব (Cosmological theory) অনুসারে মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু (Cosmic-Dust) একটি কেন্দ্রে অতি উত্তপ্ত, অতি উজ্জ্বল, অতি ঘন অবস্থায় জমাট হয়েছিল। একে আদিম অগ্নিগোলক (primeval Fireball) বা একটি অতি বৃহৎ পরমাণু (Super Atom) [ বিস্তারিত পড়ুন ]
গ্রিক শব্দ ‘এন্টি’ ও ‘বায়োস’ থেকে ‘এন্টিবায়োটিক’ শব্দটি এসেছে। এন্টি অর্থ বিপরীত ও বায়োস অর্থ জীবন। মূলত এন্টিবায়োটিক জীবিত ব্যাকটেরিয়া তথা অণুজীবের বিপরীত কাজ করে। যেসব রোগ সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়, তা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময়ের জন্য এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। এ জন্য ভইরাসজনিত রোগের বিপরীতে [ বিস্তারিত পড়ুন ]
ভবিষ্যতের দিকে তাকালে আমাদের মস্তিষ্ক নাকি শুধু ইতিবাচক চিন্তাকেই পাত্তা দেয়।যা কিছু নেতি, যার মধ্যে থেকে যেতে পারে ব্যার্থতা বা হতাশার সম্ভাবনা কিংবা আশষ্কা, ব্রেন সেদিকটাকে বিশেষ আমল দেয় না। এক সাস্প্রতিকতম গবেষণার ফলাফলে জানা গেছে এ তথ্য। নেচার নিউরোসায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত ইউনির্ভার্সিটি কলেজ অব [ বিস্তারিত পড়ুন ]
১। নৌকা থেকে লাফ দিলে নৌকা পেছনের দিকে ছুটে যায় কেন। কারণ: নৌকা থেকে একজন আরোহী লাফিয়ে যখন তীরে নামেন তখন নৌকা দূরে চলে যেতে দেখা যায়, অর্থাৎ নৌকা পেছনের দিকে ছুটে যায়। আরেহী নৌকার উপর বল প্রয়োগ করার ফলেই নৌকা পেছনে ছুটে যায়। কারণ [ বিস্তারিত পড়ুন ]
১. একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ তার মোট ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ ৬৫ কেজি ওজন মানুষের রক্তের পরিমাণ হল ৫ কেজি। ২. দেহে অক্সিজেন সরবরাহকারী লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণ ২৫০০ কোটি এবং এরা ৪ মাস বাঁচে। ৩. রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২৫০ [ বিস্তারিত পড়ুন ]



